রাস্তা ফুরায়
আরও কিছু হাঁটার অভিলাষ
প্রমাণ করে চলে রাস্তার হ্রস্বতা।
আগুনের আয়নায়
নিজ নিজ ছাইয়ের ছায়া
দেখেশুনে ত্যক্ত
হাওয়া আর আদমসন্তান
বরং রঙিলা নায়ের মাঝি হয়ে
মাছ শিকারে মাতে ঘোলা পানিতে।
সূত্র যেহেতু ঘৃণা বা প্রেম;
লতায়পাতায় আত্মীয় আমরা
সবাই সবার; ঘৃণা ও প্রেমের সূত্রসার।
একটা জীয়ন্ত বৃক্ষের বিন্যাসের ভেতর
যেমন আছে তার সবুজ দরগাহ
তুমিও তেমন,
করতলে অক্ষরের অসুরকে
বাড়তে দিয়ে
মিশে যেতে চাইছিলে
সুরের সেই গহন গোল্লায়।
আর যারা
বিচিত্রবিধ কিউটের ডিব্বা হয়ে
ইত্যবসরে পেয়ে গেছে
নীপবনের নকশা,
শর্টকাট মারতে চাওয়া তাদের তুমি
রাস্তার দৈর্ঘ্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিও।
কবিতাগুচ্ছ
সরি গড’স ডে তবুও আজান হলে লুঙ্গি হাঁটুর নিচে নামিয়ে রাখি। দিলে গেঁথে দিয়েছে পিতামহ— মাতামহী-র স্মরণে চুপচাপ হাওয়া লাগাই শরীরে। তারপর…