সরি গড’স ডে
তবুও আজান হলে লুঙ্গি হাঁটুর নিচে নামিয়ে রাখি। দিলে গেঁথে দিয়েছে পিতামহ— মাতামহী-র স্মরণে চুপচাপ হাওয়া লাগাই শরীরে। তারপর হাঁটুর নিচে যথাযথ লুঙ্গি।
ভ্যান গগের দ্য স্ট্যারি নাইট পেইন্টিং অবলম্বনে একটা ঢিলেঢালা ফতোয়া আর কারোর কাফনের কাপড় চুরি করে লুজ পায়জামা বানাব। তারপর যেদিন খুব করে আষাঢ় আরম্ভ মেঘে অম্বর মুগ্ধ হয়ে আসবে। অনন্ত মাঠে আমাদের সংসার ঘুরিয়ে দেওয়া গোরুর দড়ি হাতে বেরিয়ে পড়ব।
হয়তো চিরায়ত জামগাছ বা শিরিষের শাখায় ঝুলে ঝুলে পৃথিবীর ঘুমে থাকা অভয়ারণ্য দেখব।
২১ আশ্বিন ১৪৩০
এই সব তবু ভালো। নিচোল জড়ানো সারারাত ঝড়ো ঝর্ ঝর্ বৃষ্টি।
পৃথিবীর জীর্ণ সংসারের মৌনব্রত সীন।
অনাদরে বেড়ে ওঠা অন্ধকারে ঘুম হাবুডুবু ঘুম ঘুঙুর বাজা রাত—
দুয়ারে দাঁড়ায় ঝঞ্ঝানিল করুণ শিশুর মতো রোদন তুলছে থেমে থেমে—
বরাবর ছাদের সাথে মিশে গেছে থাম, বিজলিতে কাঁচা ঘুম তটস্থ—
রুপার মতো জল রক্ত হতে উদ্গম দুধ সাদা রক্ত স্তবকে স্তবকে
রোদে শুকিয়ে জল ঘোলা রঙ ধারণ করেছে যে–সেই ফুটন্ত জলের আঁচে সাদা হয়ে যুগিয়েছে কলেবরে বহমান লাল-খুন-লাল—
তোমার শরীরেও হচ্ছে পাকানো রক্তে রক্তে ঝরানো ঝাঁজ—
ঝাঁজ বের করে আনে হাওয়া রঙের হিম রক্ত—খাটিতে—মাটিতে—মাটি হয়ে রয়।
সকল ভবিষ্যৎ হয়তো অন্ধকার যবনিকা আর সার হয়ে প্রজন্ম করবে ভোগ৷ সুশীতল খানিক এ সময়।
সে, তারা ও বড়ো ভাইয়েরা
তারা নেকসুরতে যেন জন্মের কাছের
হত’র যেন সঙ্গিনী; ‘রাখো যোগাযোগ’
গ্লোরি ডুবে গেল কাব্যে, এই জীবনের।
গোল্লায় [ক্রুশবিদ্ধ] ঈসামসির পদধূলি
কাজ চেয়েছে
না কিছু বিনিয়োগ
রুয়েছে কি আর… তাই ওরা তারা নেই
—খারাপ হতে পারেনি যে তাই খারাপ
বুঝি, ভাইয়ের জন্য ভাই। রে আর নেই
মানুষের পদতলে মানুষের [নত] খুলি—
খাবার চেয়েছে স্রেফ
কর্মে ওরে বাপ
হা, হাভাতে গেল মরে মোর ভাই যদি
ওরে আমার সোনার বাংলা তোরে চুদি।