দারাবা যাইদুন আমরান : আরবি ব্যাকরণের আইকনিক উদাহরণ

দারাবা যাইদুন আমরান (ضرب زيد عمراً) আরবি ব্যাকরণের এক চিরায়ত উদাহরণ, ফায়েল-মাফউলের ধ্রুপদী মিসাল। অর্থ—‘যায়েদ আমরকে প্রহার করল।’ প্রথম যিনি এই বাক্যটি ব্যবহার করেন, তিনি হয়তো নিতান্ত সাদামাটা এক উদাহরণ হিসেবেই এটি এনেছিলেন; এত সাত-পাঁচ ভাবেননি। কিন্তু পরে এটি এত বেশি জনপ্রিয় হয়েছে, এত বেশি ব্যবহৃত হয়েছে এবং হয়ে আসছে যে, তা রীতিমতো হয়ে উঠেছে এক বিশাল গবেষণার বিষয়। অনেকই এই উদাহরণটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করেছেন, চলেছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। একে ঘিরে যেমন সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য প্রশ্নের, তেমনই সেসব প্রশ্নের বিচিত্র সব উত্তরও দিয়েছেন বিদগ্ধজনেরা।

প্রহারতত্ত্বের অনুসন্ধান 

যায়েদ কেন আমরকে মারল?—এই ‘কেন’-র উত্তর খুঁজতে গিয়ে ভাষাবিদ, ব্যাকরণবিদ, তাত্ত্বিক, ভাষাতাত্ত্বিক, চিন্তক, গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কারোরই জল্পনা-কল্পনার অন্ত নেই। যুগ যুগ ধরে এ নিয়ে চলেছে বিস্তর কাটাছেঁড়া; পণ্ডিতমহলে এ নিয়ে বিতর্ক আজও বহাল তবিয়তে চলমান এবং ভবিষ্যতেও চলতে থাকবে। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, সামান্য এই ব্যাকরণিক উদাহরণকে কেন্দ্র করে একদল আরবি ব্যাকরণবিদকে রীতিমতো হাজতবাসও করতে হয়েছিল! ব্যাকরণের একটি উদাহরণের জন্য জেল খাটার সেই অদ্ভুত ঘটনাটি ঘটেছিল উসমানি খেলাফতের সময়কালে।

শ্রীঘরভরতি বৈয়াকরণিক 

দাউদ পাশা (১৪৪৬-১৪৯৮ খ্রিষ্টাব্দ)। উসমানি খেলাফতের প্রভাবশালী উজিরে আজম। হঠাৎ তার মনে আরবি ভাষা শেখার প্রবল বাসনা জাগল। যেই ভাবা সেই কাজ; আরবি ভাষায় সুপণ্ডিত এক আলেমকে তিনি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিলেন। তার কাছে দীর্ঘ দিন ধরে চলল আরবি পাঠ। একদিন পড়া চলাকালে শিক্ষককে থামিয়ে হঠাৎ বেশ সিরিয়াস ভঙ্গিতে তিনি জিজ্ঞেস করে বসলেন—‘আচ্ছা, আমরের আসলে অপরাধটা কী? কেন যায়েদ তাকে রোজ এভাবে মেরেই চলেছে? এই মারের কি কোনো শেষ নেই? আর আমর লোকটাই বা কেমন? সে কি এতটাই দুর্বল, এতটাই অক্ষম যে, যায়েদের ওপর কোনো প্রতিশোধই নিতে পারছে না? মার খেতে খেতে মরে যাওয়াই কি আমরের চূড়ান্ত নিয়তি?’

শিক্ষকের মুখে তখন মৃদু হাসি। তিনি বললেন, ‘আসলে এখানে মারামারির কোনো ব্যাপারই নেই। কে মারছে, কে মার খাচ্ছে, তা নির্ণয় করাও উদ্দেশ্য নয়। যায়েদ যে আমরকে সত্যি সত্যি প্রহার করেছে, কিংবা আমর যে অনন্তকাল ধরে যায়েদের হাতে মার খেয়েই চলেছে—বিষয়টি মোটেও তেমন নয়। এটি ব্যাকরণের নিছক একটি উদাহরণ মাত্র। শিক্ষার্থীদের কাছে ফায়েল ও মাফউলের বিষয়টি সহজবোধ্য করে তুলতেই এই কাল্পনিক বাক্যের অবতারণা। এখানে বাস্তবতার লেশমাত্র নেই।’

কিন্তু হায়! শিক্ষকের এই ব্যাখ্যা মন্ত্রী মহোদয়ের মনঃপুত হলো না। উল্টো তার মনে হলো, শিক্ষক নিজের অজ্ঞতা ঢাকতেই এমন গোলমেলে কথা বলছেন। ব্যস, মন্ত্রীর মেজাজ গেল বিগড়ে। তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে নির্দেশ দিলেন—‘এই শিক্ষককে এক্ষুণি কারাগারে নিক্ষেপ করা হোক!’

এরপর তিনি আরেকজন আরবি ব্যাকরণবিদকে ডেকে পাঠালেন। তাকেও সেই একই প্রশ্ন। তিনিও দিলেন একই উত্তর। ফলাফল—তাকেও বরণ করতে হলো কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ। এভাবে একের পর এক ব্যাকরণবিদকে তলব করা হলো, আর সবার উত্তরের সারমর্ম এক হওয়ায় সবার পরিণতি হলো একই—শ্রীঘরে বন্দিত্ব।

দেখতে দেখতে দেশের প্রথিতযশা সব ব্যাকরণবিদ কারাবন্দি হয়ে পড়লেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সৃষ্টি হলো এক বিশাল শূন্যতা। বিষয়টি আর রাজদরবারে সীমাবদ্ধ রইল না, ছড়িয়ে পড়ল হাটে-বাজারে, লোকালয়ে। সোজা কথায়, বিষয়টি ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’ বা জাতীয় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠল। ওদিকে মন্ত্রীও নাছোড়বান্দা; রাজকার্য শিকেয় তুলে তিনি এই এক ‘প্রহার-রহস্য’ নিয়েই পড়ে রইলেন।

দেশের আলেমদের উত্তরে হতাশ হয়ে মন্ত্রী এবার সিদ্ধান্ত নিলেন বাগদাদ থেকে আলেম আনার। আমন্ত্রণ পেয়ে বাগদাদের এক প্রতিনিধিদল রওনা হলেন। তবে তারা ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণ; দরবারে পৌঁছানোর আগেই তাঁরা মন্ত্রীর এই পাগলাটে কাণ্ড ও ব্যাকরণবিদদের বন্দি হওয়ার খবর জেনে গিয়েছিলেন। প্রতিনিধি দলের প্রধান ছিলেন অনেক বড় আলেম, অগাধ পাণ্ডিত্যের অধিকারী, বিচক্ষণ ও ধীমান ব্যক্তিত্ব।

তারা দরবারে হাজির হলে মন্ত্রী সেই পুরোনো প্রশ্নটিই ছুড়ে দিলেন। তখন প্রতিনিধি দলের প্রধান বিনীত অথচ জোর গলায় বললেন—‘মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়! আসলে আমর যে অপরাধ করেছে, তার তুলনায় সে তো লঘু শাস্তি পাচ্ছে। তার তো আরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত ছিল!’

এই উত্তর শুনে মন্ত্রীর চোখ-মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল। এতদিন পর মনের মতো কথা শুনে তিনি প্রসন্ন হাসি হেসে বললেন—‘তাই নাকি? তা আমরের আসল অপরাধটা কী?’

প্রতিনিধি দলের প্রধান তখন মোক্ষম চালটি চাললেন। বললেন, ‘তার অপরাধ শুনবেন? সে তো মহা অপরাধী! এই আমর খোদ আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের নামের ওপর চড়াও হয়েছে। সে আপনার নাম থেকে একটি ‘ওয়াও’ ছিনতাই করে নিয়ে গেছে! ভাবা যায় তার কত বড় স্পর্ধা? আপনার নাম থেকে অক্ষর চুরি করে সে নিজের নামের শেষে জুড়ে দিয়েছে! এই চুরির অপরাধেই ব্যাকরণবিদগণ যায়েদকে দিয়ে প্রতিদিন তাকে শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন।’

(আরবিতে দাউদ (داود) লিখতে একটি ‘ওয়াও’ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু উচ্চারণে দুটি ‘ওয়াও’ আসে। অন্যদিকে আমর (عمرو) লিখতে শেষে একটি অতিরিক্ত ‘ওয়াও’ থাকে, যা উচ্চারিত হয় না। আলেমের ইঙ্গিত ছিল—আমরের শেষের ওই বাড়তি ‘ওয়াও’টা আসলে দাউদের কাছ থেকে চুরি করা!)

এমন বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর শুনে মন্ত্রী তো মহাখুশি! তার মুগ্ধতার সীমা রইল না। তিনি বললেন—‘চমৎকার! আপনি আমার কাছে যা চাইবেন, তাই পাবেন।’

সুযোগ বুঝে বিচক্ষণ আলেম বন্দি আলেমদের মুক্তি দিতে আবেদন করলেন। মন্ত্রী সানন্দে সবাইকে মুক্তির নির্দেশ দিলেন। আর বাগদাদের সেই প্রতিনিধি দলের প্রধানকে অঢেল উপহার ও সম্মান দিয়ে বিদায় জানালেন।

প্রখ্যাত আরবি সাহিত্যিক মুস্তফা লুতফি মানফালুতি (১৮৭৬-১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দ) তাঁর বিখ্যাত আননাযারাত গ্রন্থে এই ঘটনার উল্লেখ করে বিস্তর ক্ষোভ ঝেড়েছেন। তিনি ব্যাকরণবিদদের একহাত নিয়েছেন, এমনকি তাদের থেকে মুচলেকা নেওয়ার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। কিন্তু মানফালুতির সব ক্ষোভ আর সমালোচনা সত্ত্বেও ‘দারাবা যাইদুন আমরান’ উদাহরণটি আজও আরবি ব্যাকরণে সগৌরবে টিকে আছে।  মানফুলুতি যেসব কথা বলেছেন, তা নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথা আছে, অনেক কথা বলা যায়। সেসব তর্ক-বিতর্ক নাহয় আরেক দিনের জন্য তোলা থাকুক; আজ আমরা এই মজার উদাহরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই।

কেন এত জনপ্রিয়?

আরবি ব্যাকরণের বইগুলিতে ‘যায়েদ’ নামটি অধিক ব্যবহারের বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক ও শিক্ষাগত কারণ রয়েছে। তা হলো—

আরব সমাজে প্রসিদ্ধি : ‘যায়েদ’ একটি প্রাচীন আরবি শব্দ। পুংলিঙ্গ এবং বিশেষ্য। এই শব্দটির মধ্যে কোনো ধরনের অস্পষ্টতা নেই। আবার কোনো ধরনের অদ্ভুত বা অপরিচিত শব্দও নয় এটি। বরং আরবদের মুখে মুখে ফেরা অতি চেনা একটি নাম। এর অর্থের মধ্যেও কোনো জটিলতা নেই—অতি পরিচিত ও প্রচলিত শব্দ। তাই এটি তাত্ত্বিক উদাহরণের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত ও প্রাঞ্জল একটি শব্দ।

গঠনগত সহজ-সাবলীলতা : শব্দটি সংক্ষিপ্ত। فَعْل প্যাটার্ন অনুসারে গঠিত। উচ্চারণ করা সহজ। এবং এর ব্যাকরণগত ক্ষেত্রেও স্পষ্ট। যখন এটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন সহজেই এর ইরাব বোঝা যায়—স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়। যেমন : جَاءَ زَيْدٌ – رَأَيْتُ زَيْدًا – مَرَرْتُ بِزَيْدٍ

প্রথা-প্রচলনের অনুকরণ : প্রখ্যাত আরবি ব্যাকরণবিদ খলিল ও সিবাওয়াইহের মতো প্রথম দিকের ব্যাকরণবিদগণ উদাহরণে ‘যায়েদ’ এবং ‘আমর’ প্রচুর ব্যবহার করতেন। তাই এটি আরবি ব্যাকরণের বইগুলোতে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত আরবি ঐতিহ্যময় একটি রীতি হয়ে ওঠে। এবং এটি তাঁদের রচিত গ্রন্থের ব্যাখ্যাগ্রন্থসমূহে স্থানান্তরিত হতে থাকে। এবং সেখান থেকে নানাজনের গ্রন্থে ছড়িয়ে পড়ে। 

কুরআনিক উদাহরণের অনুসরণ : পবিত্র কুরআনে অন্য কোনো সাহাবির নাম উল্লেখ করা হয়নি। শুধু যায়েদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর নাম নিচের আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন—

فَلَمَّا قَضٰی زَیۡدٌ مِّنۡهَا وَطَرًا زَوَّجۡنٰكَهَا

“অতঃপর যায়েদ যখন তার স্ত্রীর (যয়নাব) সাথে বিবাহের সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করলাম।” (সুরা আহযাব, আয়াত : ৩৭)

তিনি হলেন যায়েদ বিন হারেসা রাদিয়াল্লাহু আনহু। কুরআনে উল্লেখ হওয়া তো অনেক সৌভাগ্যের বিষয়। তাই আরবি ব্যাকরণবিদগণ এই নামটি বেশি ব্যবহার করেন।

কীভাবে শুরু হলো এর ব্যবহার?

এই উদাহরণটি কখন থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে, কে প্রথম এটি ব্যবহার করেছেন, কোন নাহুবিদের হাত ধরে এর প্রচার-প্রসার ঘটেছে—কেউই আসলে এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারবে না। কারণ এটি যখন প্রথম ব্যবহৃত হয়, তখন হয়তো কেউ কল্পনাও করতে পারেনি, একদিন এটি হয়ে উঠবে আরবি ব্যাকরণের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ। আরবি ব্যাকরণের পাতায় পাতায় এই উদাহরণটি নিশ্চয় প্রবল প্রতাপে টিকে থাকবে; যুগ যুগ ধরে হতেই থাকবে ব্যবহার।

সর্বপ্রথম এই উদাহরণটি কে ব্যবহার করেছেন—এই প্রশ্নেরও আসলে কেউই সঠিক উত্তর দিতে পারবে না। তবে অনেকেই অনুমানভিত্তিক উত্তর দিয়েছেন। কেউ কেউ বলেছেন, এই উদাহরণটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেছেন প্রখ্যাত আরবি ব্যাকরণবিদ সিবওয়াইহ। কারণ যায়েদ ও আমর নামে সিবওয়াইহের দুজন ছেলে ছিল। নিজের ছেলেদেরকে বোঝানোর জন্যই তিনি সর্বপ্রথম এই উদাহরণটি ব্যবহার করেছিলেন। 

যুদ্ধ নয়, চাই শান্তি! আসলেই?

এই সহজ-সরল নিরীহ উদাহরণটি কেন্দ্র করে অনেকে আবার আরেকটা আলাপ তোলেন। প্রশ্ন তোলেন—শৈশবের স্নিগ্ধ-মখমল সময়ে, যখন শিশু-কিশোরদের মনোজগৎ থাকে নরম-কোমল, যখন শিশু-কিশোরদের মন ও মানসের গঠন-কাল, তখন এসব মারামারির উদাহরণ হাজির করা কতটা যৌক্তিক? কতটা যথাযথ? বরং মারামারির পরিবর্তে যদি ভালোবাসার উদাহরণ দেওয়া হতো, তাহলে মন-মানসে ভালোবাসার বীজ বপন হতো না কি?

আসলে এসব হলো তর্কের খাতিরে তর্ক করা, প্রশ্ন তোলা। নইলে এসব উদাহরণ নিয়ে তর্ক-বিতর্ক না করে ইতিহাসের দিকে তাকালেই তো হয়, এই উদাহরণ কতজন মুসলিম শিশু-কিশোরের মনে মারামারির বীজ বপন করেছে, কতজনের হৃদয় থেকে ভালোবাসাকে বিদায় দিয়েছে, তা স্পষ্ট জানা যায়। তাছাড়া আরবি ব্যাকরণ শুধু মুসলিম শিশু-কিশোররা পড়ে না, অন্য ধর্মের শিশু-কিশোররাও পড়ে। কিন্তু এসব আলাপ যখন তোলা হয়, তখন আবার তাদের কথা বেমালুম ভুলে যাওয়া হয়। আসলে এসব প্রশ্ন যারা তোলে, তারা মুসলিমদের যেকোনো বিষয়ে যুদ্ধ ও জিঘাংসার প্রশ্ন তোলে, নিজেদের যেকোনো ক্ষেত্রে শান্তি ও ভালোবাসার জিগির তোলে; কিন্তু প্রকৃত অবস্থা এর একেবারেই বিপরীত। আসলে মানুষের এই পৃথিবীতে, এই ক্রুর-গৃধ্নুতে ভরা পৃথিবীতে কী আসলে ভালোবাসার নরম-কোমল জলে শান্তির শ্বেতপদ্ম ফোটে?

আসলে এই উদাহরণটি শিশু-কিশোরদের মন-মানসে কোনো খারাপ প্রভাব ফেলে না। বরং এটি শিক্ষার্থীদের সামনে টপিকটাকে স্পষ্ট করে তোলে, দৃশ্যগ্রাহ্য করে তোলে। কারণ এটি দৃশ্যগ্রাহ্য একটি উদাহরণ, শিক্ষার্থীদের সামনে বিষয়টিকে ছবিময় করে তোলে। ফলে শিক্ষার্থীরা বিষয়টি ভালোভাবে হৃদয়ঙ্গম করতে পারে। তাইতো যুগ যুগ ধরে যায়েদ আমরকে প্রহার করেই চলেছে। ওদিকে আমর বেচারা যুগের পর যুগ শতাব্দীর পর শতাব্দী মার খেয়েই যাচ্ছে, খেয়েই যাচ্ছে। আহা রে বেচারা! 

মন্তব্য লিখুন (2)
  1. অকালকুষ্মাণ্ড

    খুবই আপ্লুত, শিহরণজাগানিয়া অমর লেখা। শুভাশীষ প্রিয় লেখক।

  2. Mohammad Rokan Uddin

    এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। ভীষণ মজা পেলাম। লেখকের কলমে এমন আরো লেখা চাই।

মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *