এই ঘরে আজও ঘনিয়ে থাকে নোনা নীরবতা,
দেয়ালের ভেতর জমে থাকে কান্নার ছত্রাক,
ছাদের ফাঁক দিয়ে চুইয়ে পড়ে পুরনো অভিমান—
গন্ধটা, অনেকটা অপচিকিতসিত স্মৃতির মতো।
অব্যক্ত ধোঁয়ায় মিশে গেছে অসমাপ্ত কথা,
বালিশের নিচে শুয়ে আছে নিঃশব্দ অনুতাপ। বাতাসে ছড়ায় এক অদ্ভুত জ্বর—
ভালোবাসার জীবাণু, অবহেলার সংক্রমণ।
এই ঘরে আলো আসতে ভয় পায় এখন,
কারণ প্রতিটি জানালা জানে—
আলো মানেই মুখোশ খুলে ফেলা, আর মুখোশহীন মুখেই থাকে সত্যের দগদগে ক্ষত।
সংক্রামিত গৃহবেদনা–নীরব মহামারি
যেখানে প্রত্যেকে অসুস্থ, তবু কেউই স্বীকার করে না।